সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘দাদা’র সঙ্গে বিয়েতে নারাজ, ধর্ম বদলে পড়শিকে বিয়ে সাকিনার ঝিনাইদহে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সনাতনী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ সমাবেশ বরিশাল মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদ কতৃক গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সনাতনীদের বাঁচাতে ভারত সরকারের কাছে আকুল আবেদন বাংলাদেশি শরণার্থীর প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে চিকিৎসক অনিক আচার্য্যের আত্মহত্যা কান্তজীউ মন্দিরে অশালীন কার্যক্রম বন্ধে সচেতন সনাতনী সমাজের দাবি, জেলা রাজদেবোত্তর এস্টেটে পাঁচ দফা স্মারকপত্র বাগীশিক পটিয়া উপজেলা সংসদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাউজানে দুই দিনব্যাপী শ্রীশ্রী কার্তিক পূজা মহাসমারোহে উদযাপিত কলকাতায় ঐতিহাসিক গীতাপাঠ আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত শারজাহ সার্বজনীন শারদীয় শ্রীশ্রী দুর্গাপূজার পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

দেশের প্রতিটি জেলায় মডেল মন্দির নির্মাণের ঘোষণা

Spread the love

 

নয়ন চন্দ্র শীল – নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করে বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে মোট ৬৪টি মডেল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিটি মন্দির নির্মাণে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার।

রাজধানীর টিকাটুলি শ্রীশ্রী স্বামী ভোলানন্দগিরি আশ্রমে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশনের (বাংলাদেশ) দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তপন মজুমদার বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে সারাদেশে সাড়ে পাঁচশ’ মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছে, কিন্তু একটি মডেল মন্দিরও নির্মাণ করেনি। অথচ তারা নিজেদেরকে হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র ভরসা হিসেবে উপস্থাপন করত।”
তিনি আরও দাবি করেন, সরকারের পতনের পর শেখ হাসিনা হিন্দু সম্প্রদায়কে বিপদে ফেলে ভারতে চলে গেছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান আরও জানান, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ১ হাজার একর দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে। এসব সম্পত্তি ফেরত পাওয়া গেলে মডেল মন্দির নির্মাণের কাজ আরও সহজ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, যিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করা হলেও বাস্তবে এখনো হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বৈষম্য চলছে। সরকারি দপ্তর, মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে হিন্দু কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান।

এছাড়া বক্তব্য দেন—

বাসুদেব ধর, সভাপতি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। মনীন্দ্র কুমার নাথ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। জয়ন্ত কুমার দেব, সভাপতি, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি

বক্তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান হামলা, মামলা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চালানোর ঘোষণা দেন।

সম্মেলনের শেষ পর্বে বরুন চন্দ্র সরকারকে সভাপতি এবং রঘুপতি সেনকে মহাসচিব করে ৪৫ সদস্যের নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর আগে কবুতর উড়িয়ে ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।



আমাদের ফেসবুক পেইজ