মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘দাদা’র সঙ্গে বিয়েতে নারাজ, ধর্ম বদলে পড়শিকে বিয়ে সাকিনার ঝিনাইদহে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে সনাতনী সংগঠনগুলোর বিক্ষোভ সমাবেশ বরিশাল মহানগর পুজা উদযাপন পরিষদ কতৃক গীতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সনাতনীদের বাঁচাতে ভারত সরকারের কাছে আকুল আবেদন বাংলাদেশি শরণার্থীর প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে চিকিৎসক অনিক আচার্য্যের আত্মহত্যা কান্তজীউ মন্দিরে অশালীন কার্যক্রম বন্ধে সচেতন সনাতনী সমাজের দাবি, জেলা রাজদেবোত্তর এস্টেটে পাঁচ দফা স্মারকপত্র বাগীশিক পটিয়া উপজেলা সংসদের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাউজানে দুই দিনব্যাপী শ্রীশ্রী কার্তিক পূজা মহাসমারোহে উদযাপিত কলকাতায় ঐতিহাসিক গীতাপাঠ আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত শারজাহ সার্বজনীন শারদীয় শ্রীশ্রী দুর্গাপূজার পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মৌলভীবাজারের শতবর্ষী কালীবাড়িতে বন্ধ নিয়মিত পূজাঅর্চনা

Spread the love

বিজয় সরকার, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি-

মৌলভীবাজার জেলা শহরের একটি ইতি­হাস ও ঐতিহ্যবাহী সনাতন ধর্মীয় উপাসনালয় হলো শ্রী শ্রী
পুরাতন কালীবাড়ি, মন্দিরটি আনুমানিক ১৪০ বছর পুরনো
বৃহত্তর সংস্কার ও নতুন নির্মাণ কাজ ২০২২ সালে শুরু হয়েছিল হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় । তবে কাজ চলাকালে ইঞ্জিনিয়ারিং ত্রুটি ও নিচ তলা বিপর্যয় দেখা দেয়, ফলে নির্মাণ কিছু সময়ের জন্য থমকে যায় ।
দোকান কোঠা vs মন্দির: প্রথমে নিচতলায় দোকান নির্মাণের জন্য বিতর্ক সৃষ্টি হয়; স্থানীয়রা দাবি করেছিলেন, “মন্দির হবে, দোকান নয়” 


হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসক ১৯ মার্চ ২০২৩ তারিখে সরকারি ভাবে ও বলেছেন, ওই জায়গায় শুধু মন্দিরই হবে,কোনো দোকান কোঠা নির্মাণ চলবে না
দীর্ঘ আলোচনার পর বাড়তি কমিটি গঠন করা হয় ও পুনঃনির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, কিন্তু কিছু দিন পরে নির্মাণ কাজ আবারও বন্ধ, সরকারি নির্দিষ্টতা না মানার কারণে এবং স্থানীয় বিরোধের ফলে মন্দিরের নতুন নির্মাণ কাজ আবারও থমকে গেছে ।
রাজীব সূত্রধর নামে একজন ভক্ত সনাতন টিভি কে বলেন
পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির ঐতিহাসিক প্রাসাদ; নিয়মিত সংস্কার ও পূজা পরিচালনায় বাধার সম্মুখীন।
অবকাঠামোর মান, প্রশাসনিক নির্দেশনা ও স্থানীয় সমন্বয়ের অভাবে মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক ব্যবহার হচ্ছে না। এখন দরকার


১. সরকারি পর্যবেক্ষণে পুনঃনির্মাণ: রাজস্ব দপ্তর এবং হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নিয়মিত তদারকিতে কাজ সম্পন্ন করা।
২. স্থায়ী পরিচালনা কমিটি: স্থানীয় ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা।
৩. স্বচ্ছ তহবিল ব্যবস্থাপনা: সংস্কার ও পূজার জন্য বরাদ্দ অর্থ নিশ্চয়তা ও ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ।
৪. সামাজিক দূরত্ব না রেখে সম্প্র্রদায় সমন্বয়: স্থানীয় হিন্দু ভক্তবৃন্দের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মন্দির জীবন্ত করে তোলা।



আমাদের ফেসবুক পেইজ